প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ। তারা প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্পের’ আওতায় দুটি ছাত্রী আবাসিক ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পাশাপাশি তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। অনেক শিক্ষার্থী এই আয়োজনকে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন।
তাদের মতে, দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবদান দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন জাতীয় সংকট ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা খাতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান সফল করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই সরকারি চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর চিকিৎসা প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
প্রতিষ্ঠার আট দশক পূর্তির এই আয়োজনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অতীত ঐতিহ্য, বর্তমান অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এই বিশেষ আয়োজনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।



