রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের বিভিন্ন কলেজে শিক্ষক সংকট কমাতে বিষয়ভিত্তিক খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার ১৫ আগস্ট গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় শিক্ষক পুল গঠনের নীতিমালা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, বিষয়ভিত্তিক এই শিক্ষক পুলে অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কলেজগুলোতে কোনো বিষয়ে শিক্ষক সংকট দেখা দিলে প্রয়োজন অনুযায়ী এই পুল থেকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে শিক্ষা কার্যক্রমে কাজে লাগানো গেলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পেশা ও কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের পাঠদানের সঙ্গে যুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবিষয়ের পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, অবসর নেওয়া অভিজ্ঞ শিক্ষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের বাস্তব অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক পুল গঠন করা হচ্ছে।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইনসহ একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান ও কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিপুলসংখ্যক কলেজে শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রয়োজনীয় বিষয়ে দ্রুত শিক্ষক যুক্ত করার পাশাপাশি পাঠদানের মান উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!