রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৯:১০ পিএম

ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ছাত্রসংগঠনের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পথে এগোচ্ছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ছাত্রশিবিরে তার দায়িত্বকাল শেষ হয়েছে। এ কারণে তিনি সংগঠনের সক্রিয় দায়িত্ব থেকে বিদায় নিয়েছেন। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুযায়ী, দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর সদস্যরা চাইলে অন্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন।

রাজনৈতিক সূত্রের মতে, আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি সামনে রেখে তার জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী হওয়ার জন্য মূল দলে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন হওয়ায় শিগগিরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ গ্রহণ করতে পারেন।

সাদিক কায়েম দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ছাত্রজীবনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, বিভিন্ন শিক্ষার্থী ইস্যুতে ভূমিকা রাখা এবং নেতৃত্বগুণের কারণে তিনি আলোচনায় আসেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন তরুণ সংগঠন ও সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থেকে জনসেবামূলক কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্রসংগঠনের দায়িত্ব শেষ করে মূল রাজনৈতিক দলে যোগদান দেশের রাজনীতিতে নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে সাদিক কায়েমের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ তিনি সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম আলোচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

তার আনুষ্ঠানিক যোগদানের পর রাজধানীর স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং জাতীয় রাজনীতিতে তার ভূমিকা কীভাবে বিস্তৃত হয়, সেদিকে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!