রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাসিক অবস্থায় কোরআন শ্রবণ করা যাবে?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

মাসিক অবস্থায় কোরআন শ্রবণ করা যাবে?

প্রতীকী ছবি

মাসিক চলাকালে নারীরা কোরআন তিলাওয়াত শুনতে পারবেন কি না এবং কোরআন শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত থাকলে কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন—এ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন দেখা যায়। বিশেষ করে হিফজ বিভাগের শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, এ অবস্থায় কিছু বিষয় অনুসরণ করে কোরআন শিক্ষার কার্যক্রমে যুক্ত থাকা সম্ভব।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মাসিক অবস্থায় নারী কোরআন শরিফ স্পর্শ না করে অন্যের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারবেন। এতে কোনো ধর্মীয় বাধা নেই। ফলে কোনো শিক্ষিকা যদি ছাত্রীদের তিলাওয়াত শোনেন বা তাদের মুখস্থ পাঠ শুনে মূল্যায়ন করেন, তাহলে তা বৈধ বলে বিবেচিত হবে।

তবে এ সময় শিক্ষিকা নিজে সম্পূর্ণ কোনো কোরআনের আয়াত উচ্চারণ করবেন না। ছাত্রীদের পাঠ সংশোধনের প্রয়োজন হলে পুরো আয়াত না বলে কেবল একটি বা দুটি শব্দ বলে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সম্পূর্ণ আয়াত বা দীর্ঘ অংশ উচ্চারণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, মাসিক অবস্থায় নারীদের জন্য আল্লাহর স্মরণ, দোয়া, জিকির এবং বিভিন্ন মাসনুন আমল করার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ এই সময়ে ইবাদতের অনেক ক্ষেত্রই উন্মুক্ত থাকে। তবে কোরআন তিলাওয়াত ও স্পর্শের বিষয়ে শরিয়তের নির্ধারিত বিধান মেনে চলাই উত্তম।

ইসলামি শিক্ষাবিদদের মতে, যারা কোরআন শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের উচিত এ ধরনের মাসআলা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা। এতে নিজের আমল যেমন শরিয়তসম্মত হবে, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া সম্ভব হবে।

ধর্মীয় বিধান সম্পর্কে বিভ্রান্তি এড়াতে নির্ভরযোগ্য ইসলামি গ্রন্থ এবং বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ অনুসরণ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইসলামের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলাই একজন মুসলিমের জন্য সর্বোত্তম পথ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!