প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৮:১৩ এএম
বিশ্বকাপের সূচি নির্ধারণের পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ব্রাজিল ও মরক্কোর বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই। দুই শক্তিশালী দলের এই মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘিরে উত্তেজনার কমতি ছিল না। তবে মাঠের লড়াই শেষে প্রত্যাশিত জয় পায়নি কোনো দল। নাটকীয় এক ম্যাচে শেষ পর্যন্ত সমতায় সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে উভয় পক্ষকে।
শুরু থেকেই মরক্কো নিজেদের ছন্দে খেলতে থাকে। আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা এবং গুছানো খেলায় প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা। মাঝমাঠে দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে বারবার ব্রাজিলের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন তাদের সৃজনশীল খেলোয়াড়েরা। ম্যাচের শুরুতে কয়েকটি আক্রমণ থেকে স্পষ্ট হয়ে যায়, মরক্কো জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না।
অন্যদিকে ব্রাজিল শুরুতে কিছুটা এলোমেলো ফুটবল উপহার দেয়। যদিও প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি তৈরি করেছিল তারাই। তবে আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় সেটি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। এরপরই প্রতিপক্ষের আক্রমণে চাপে পড়ে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ এক আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় মরক্কো। নিখুঁত পাস ধরে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ান তাদের আক্রমণভাগের এক খেলোয়াড়। হঠাৎ গোল হজম করে কিছুটা চাপে পড়ে ব্রাজিল।
তবে বেশি সময় পিছিয়ে থাকতে হয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। আক্রমণভাগের তারকা খেলোয়াড়ের দুর্দান্ত শটে সমতায় ফেরে দলটি। দূরপাল্লার সেই জোরালো শট প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঠেকানোর সুযোগই পাননি। গুরুত্বপূর্ণ এই গোলটি দলকে স্বস্তি ফিরিয়ে দিলেও পুরো ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব বেশি ছন্দে দেখা যায়নি।
বিরতির পর দলীয় বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। বরং শেষ মুহূর্তে কয়েকবার গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে ব্রাজিল। বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত অংশে গোলরক্ষকের দুর্দান্ত প্রতিরোধ না থাকলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হতো।
সব মিলিয়ে নতুন অভিযানের শুরুতে জয় না পাওয়ায় হতাশ ব্রাজিল সমর্থকেরা। অন্যদিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী মরক্কো।



