প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায় আবারও আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্ব ফুটবলের দুই পরিচিত প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রান্স ও সেনেগাল আবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই ফিরে দেখছেন সেই ঘটনাকে, যখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকে বিস্মিত করেছিল আফ্রিকার দেশ সেনেগাল।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই সেনেগাল নিজেদের শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছিল। সেই আসরে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে তারা শুধু নিজেদের সামর্থ্যের জানানই দেয়নি, বিশ্ব ফুটবলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ইতিহাসের সেই সাফল্য আজও সেনেগালের ফুটবল গৌরবের অন্যতম বড় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
এবারের আসরে ফ্রান্সকে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দল হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিক সাফল্য, অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এবং শক্তিশালী দলগত সামর্থ্যের কারণে তারা প্রতিযোগিতার অন্যতম বড় দাবিদার। তবুও সেনেগালের বিপক্ষে নামার আগে ফরাসি শিবিরে সতর্কতার কোনো ঘাটতি নেই।
দলের প্রধান প্রশিক্ষক পাপে থিয়াউ মনে করেন, বর্তমান আফ্রিকান ফুটবল আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক। তাঁর মতে, সেনেগালের দলে এখন এমন অনেক খেলোয়াড় রয়েছেন, যারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। ফলে এই ম্যাচে যেকোনো ফলাফলই সম্ভব।
থিয়াউ স্মরণ করেন, দুই দশকেরও বেশি আগে তিনি দলের অংশ ছিলেন, যখন সেনেগাল ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল। এবার তিনি প্রশিক্ষকের ভূমিকায় থেকে নতুন দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর বিশ্বাস, অতীতের স্মৃতি সম্মান করলেও বর্তমান বাস্তবতাই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করবে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এই লড়াই শুধুমাত্র দুই দলের মধ্যে একটি ম্যাচ নয়; এটি ইতিহাস, আত্মবিশ্বাস এবং নতুন প্রজন্মের সামর্থ্য প্রমাণেরও এক বড় মঞ্চ। তাই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি এখন এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচের দিকে।



