প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে গোলশূন্য থাকার কারণে নানা সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সমালোচনার জবাব দিতে তিনি সময় নেননি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে জোড়া গোল করেন এই তারকা ফুটবলার। তার নেতৃত্বে পর্তুগাল ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে পরবর্তী পর্বের পথে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। খেলার মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে প্রথম গোল করেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অনন্য কীর্তি গড়েন। প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরে গোল করার নজির স্থাপন করেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ধারাবাহিকতার এমন উদাহরণ আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিরল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রথম গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন রোনালদো। ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে সতীর্থের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে আরেকটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড নিজের করে নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে জোড়া গোল করে সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েন তিনি।
রোনালদোর জোড়া গোলের পাশাপাশি পর্তুগালের অন্য খেলোয়াড়রাও দারুণ ছন্দে ছিলেন। পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগই দেয়নি ইউরোপের দলটি। ফলে সহজেই পাঁচ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করে তারা।
এই ম্যাচে রোনালদোর দুই গোল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তার অসাধারণ ধারাবাহিকতারও প্রমাণ মিলেছে। বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যা, সেটি আবারও প্রমাণ করলেন তিনি।
বিশ্বকাপের শুরুতে সমালোচনার মুখে পড়লেও উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রোনালদো দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার সামর্থ্য এখনও অটুট। তার এই পারফরম্যান্স পর্তুগাল শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগাবে বলেই মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।



