প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ১১:৫১ এএম
৪৮ দলের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ এখন এসে দাঁড়িয়েছে শেষ আটের লড়াইয়ে। দীর্ঘ গ্রুপ পর্ব ও নকআউট পর্ব পেরিয়ে শিরোপার দৌড়ে টিকে আছে আটটি দল। তবে কোয়ার্টার ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বেশ কয়েকটি দলের জন্য নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হলুদ কার্ড।
শেষ আটে নামার আগে অন্তত ১৮ জন ফুটবলার এমন অবস্থানে রয়েছেন, যেখানে আরেকটি হলুদ কার্ড পেলেই তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ফলে শিরোপার লড়াইয়ে থাকা দলগুলোকে এখন খেলোয়াড়দের নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
এই তালিকায় রয়েছে বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের মাঠে আরও নিয়ন্ত্রিত ও কৌশলী ফুটবল খেলতে হবে।
এ ছাড়া ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে খেলোয়াড়, স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে খেলোয়াড় হলুদ কার্ডের ঝুঁকিতে রয়েছেন।
বিশ্বকাপের এই আসরে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ৪৮ দলের আসরে একটি বাড়তি নকআউট ধাপ যুক্ত হওয়ায় খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি কমাতে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগে বাতিল হয়ে গেছে। এরপর নতুন হিসাব শুরু হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পাওয়া খেলোয়াড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। তাই শেষ ষোলো বা আগের ম্যাচে হলুদ কার্ড পাওয়া ফুটবলাররা কোয়ার্টার ফাইনালেও একই শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।
তবে কোয়ার্টার ফাইনালের পর আবার নতুন করে কার্ডের হিসাব শুরু হবে। ফলে শুধু হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল থেকে ছিটকে যাবেন না। তবে সেমিফাইনালে লাল কার্ড পেলে ফাইনালে খেলার সুযোগ হারাতে হবে।
হলুদ কার্ডের এই চাপ নিয়েই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে শেষ আটের লড়াই। ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে কোয়ার্টার ফাইনাল। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই হবে সেমিফাইনাল। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ১৮ জুলাই এবং বিশ্বকাপের মহাফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই।



