রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমদানি বিল পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম

আমদানি বিল পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

ছবিঃ সংগৃহীত

এশীয় নিষ্পত্তি ব্যবস্থার আওতায় সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত আবারও কমে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে।

রোববার প্রায় ১৩৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট মজুত দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেনের মাধ্যমে আনা পণ্যের মূল্য পরিশোধের অংশ হিসেবে এই বিল দেওয়া হয়েছে। এশীয় নিষ্পত্তি ব্যবস্থার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের হিসাব দুই মাস পরপর পরিশোধ করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। পরে ৫ মার্চ দিন শেষে মোট মজুত দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী তখন তা ছিল প্রায় ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার।

সর্বশেষ বিল পরিশোধের পর মোট মজুত কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। একই হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী তা প্রায় ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব আরেকটি হিসাব অনুযায়ী প্রকৃত ব্যয়যোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার মজুত প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরলে বর্তমান মজুত দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণভাবে একটি দেশের কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকা প্রয়োজন। সেই হিসাবে বাংলাদেশ এখনও তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা পরিমাপের গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত অন্যতম।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!