রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪৬ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম

রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪৬ বিলিয়ন ডলার

প্রতীকী ছবি

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৪৬৫ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ৩৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারের সমান। একই সঙ্গে প্রবাসী আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার আরও শক্তিশালী হওয়ার আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ ও কোষাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ২২ জুলাই পর্যন্ত হালনাগাদ হিসাবে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ হাজার ৭৭০ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি দেশের আমদানি ব্যয় নির্বাহ, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে আস্থা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে রিজার্ভের শক্তিশালী অবস্থান দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার অন্যতম নির্দেশক হিসেবেও বিবেচিত হয়।

এদিকে চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৮০ কোটি ২৬ লাখ ডলার। এই ধারাবাহিক প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে ২৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ১২৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে আরও ৩০ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বর্তমান অবস্থান দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তবে এই অগ্রগতি ধরে রাখতে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, প্রবাসী আয় প্রবাহ অব্যাহত রাখা এবং বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের চলমান বিভিন্ন পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!