প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
নতুন মাসে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগস্টে যে খুচরা মূল্য কার্যকর ছিল, সেপ্টেম্বর মাসজুড়েও একই দামে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন বিক্রি হবে। ফলে আগামী মাসে ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো বা কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখার বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর সেপ্টেম্বরের জন্য আগের মূল্যহার বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১১৫ টাকায়। কেরোসিনের দাম থাকবে ১৩৫ টাকা। অন্যদিকে প্রতি লিটার অকটেনের জন্য ক্রেতাকে গুনতে হবে ১৪৫ টাকা এবং পেট্রলের দাম থাকবে ১৪০ টাকা।
অর্থাৎ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন মাস শুরু হলেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ভোক্তাদের জন্য নতুন কোনো মূল্য কার্যকর হচ্ছে না। আগের মাসে যে দামে এসব জ্বালানি বিক্রি হয়েছে, সেপ্টেম্বরেও একই দামে তা বাজারজাত করা হবে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্তই সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে পরিবহন খাত, কৃষি, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জ্বালানি ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হচ্ছে না।
বর্তমানে দেশের পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। ডিজেলের ব্যবহার বিশেষ করে গণপরিবহন, পণ্য পরিবহন, কৃষিকাজ ও বিভিন্ন যন্ত্রচালিত কার্যক্রমে ব্যাপক। ফলে জ্বালানির মূল্য পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবহন ব্যয় ও পণ্যের বাজারদরেরও সম্পর্ক রয়েছে।
এর আগে আগস্ট মাসের জন্যও ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিজেলের মূল্য ছিল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রল ১৪০ টাকা।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেপ্টেম্বরেও এই চার ধরনের জ্বালানির একই মূল্য বহাল থাকছে। এতে অন্তত আগামী এক মাস জ্বালানি তেলের দামের ক্ষেত্রে বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকছে না।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল থাকলে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয়ের ওপর হঠাৎ বাড়তি চাপ পড়ার আশঙ্কা কমে। একই সঙ্গে সাধারণ ভোক্তাদের দৈনন্দিন ব্যয়েও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিজনিত নতুন চাপ তৈরি হবে না।



