রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চবির শাটল সংকট নিরসনে রেল প্রতিমন্ত্রীর কাছে চাকসু এজিএস এর ছয় দফা দাবি

মোতাহের উদ্দিন (চবি প্রতিনিধি)

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম

চবির শাটল সংকট নিরসনে রেল প্রতিমন্ত্রীর কাছে চাকসু এজিএস এর ছয় দফা দাবি

ছবিঃ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের শাটল ট্রেন সংকট নিরসনে ছয় দফা দাবি-সংবলিত স্মারকলিপি রেল প্রতিমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। এ সময় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন চাকসুর এজিএস।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থীর যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে বগির স্বল্পতা, অনিয়মিত চলাচল, শিডিউল বিপর্যয় ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ট্রেনের অনিয়মিত চলাচলের কারণে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না। শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে একাধিকবার পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনাও ঘটেছে। এতে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শাটল ট্রেন ও ট্রিপের সংখ্যা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কোচ সংযোজন, স্টেশনের লুপ লাইন ও প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ, সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু, ট্রেনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদার এবং স্টেশন ও কোচের প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের সমস্যাগুলো সম্পর্কে সরকার অবগত। বর্তমানে মিটারগেজ লাইনের নতুন লোকোমোটিভের সংকট থাকলেও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে শাটল ট্রেনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্মারকলিপি হস্তান্তর শেষে চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক বলেন, ‘শাটল ট্রেন শুধু একটি পরিবহন ব্যবস্থা নয়, এটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাণপ্রবাহ। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ দূর করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আমরা আশা করি, রেল মন্ত্রণালয় বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!