রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চবিতে ১ শিক্ষক ও ২ ছাত্রকে বহিষ্কার

মোতাহের উদ্দিন (চবি প্রতিনিধি)

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

চবিতে ১ শিক্ষক ও ২ ছাত্রকে বহিষ্কার

ছবিঃ প্রতিনিধি

পৃথক ঘটনায় এক শিক্ষকসহ তিনজনকে বহিষ্কার করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসন। তাদের মধ্যে এক শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং দুই শিক্ষার্থীকে একজনকে স্থায়ী ও অন্যজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সহকারী প্রক্টরের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত পাওয়া এক শিক্ষার্থীর শাস্তি হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। আর ওই শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী (পিলু)-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রথম তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য নতুন একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন।

এ ছাড়া দর্শন ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওয়াসিমকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাহসির হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কোরবান আলীর গায়ে হাত তোলার ঘটনায় আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা এনায়েত এমিকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আফসানা এনায়েত এমি তার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট তার স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দেন। মামলা চলাকালে সময় গড়ানোর কারণে ওই ছয় মাস ইতোমধ্যে পার হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট ওই শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে স্থায়ী এবং একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হয়েছে।

 

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!