প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা মানবকল্যাণমূলক একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নিজের জন্মভূমির স্মৃতিবিজড়িত পৈতৃক ভিটায় একটি নান্দনিক মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এমন একটি কাজ করে যেতে চান, যা দীর্ঘদিন মানুষের উপকারে আসবে এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সম্প্রতি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যশোরের বিজয়নগর এলাকায় অবস্থিত পূর্বপুরুষদের বাড়ি পরিদর্শনে যান এই খ্যাতিমান অভিনেত্রী। সফরকালে তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং একটি নির্দিষ্ট জায়গা নির্বাচন করেন। তার ভাষায়, এই উদ্যোগ তাকে মানসিক প্রশান্তি দিচ্ছে এবং একটি মহৎ কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
ববিতা জানিয়েছেন, মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। তাই পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগে এমন কিছু রেখে যেতে চান, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপকারে আসবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মসজিদটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই হবে না, বরং স্থানীয় মানুষের জন্য একটি শান্তি ও সম্প্রীতির কেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা রাখবে।
অভিনেত্রী আরও জানান, খুব শিগগিরই মসজিদের নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। এরপর ধাপে ধাপে নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, যাতে পরিকল্পনাটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ববিতা একটি উজ্জ্বল নাম। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে একাধিক সম্মাননা অর্জনকারী এই শিল্পী এখন মানবসেবামূলক কাজে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী।
তার এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, সমাজের কল্যাণে একজন খ্যাতিমান শিল্পীর এমন পদক্ষেপ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। পৈতৃক ভিটায় নির্মিতব্য এই মসজিদ ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।



