রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এক যুগ পর তিন বন্ধুর গল্পে নতুন অধ্যায়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

এক যুগ পর তিন বন্ধুর গল্পে নতুন অধ্যায়

ছবি: সংগৃহীত

এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও দর্শকের মনে এখনো জায়গা ধরে রেখেছে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’। তিন বন্ধু অর্জুন, কবির ও ইমরানের বন্ধুত্ব, জীবনের নানা উপলব্ধি এবং নিজেদের নতুনভাবে আবিষ্কারের গল্পে নির্মাতা জোয়া আখতারের এই সিনেমা পেয়েছিল ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এবার সেই সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা নিজেই।

জোয়া আখতার জানিয়েছেন, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’-এর গল্প নিয়ে কাজ চলছে। তবে এখনো গল্পের চূড়ান্ত রূপ কী হবে, তা নিশ্চিত নয়। পুরোনো চরিত্রগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নতুনভাবে উপস্থাপন করা যায় কি না, সেটি নিয়েই ভাবছেন নির্মাতারা।

২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাটিতে তিন বন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন হৃত্বিক রোশন, ফারহান আখতার ও অভয় দেওল। তাদের স্পেন ভ্রমণকে কেন্দ্র করে এগিয়েছিল গল্প। ভ্রমণের পথে নানা অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত সংকট, বন্ধুত্বের টানাপোড়েন এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি—সব মিলিয়ে সিনেমাটি দর্শকের কাছে আলাদা আবেদন তৈরি করেছিল।

প্রথম কিস্তির সাফল্যের পর থেকেই এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল। সময় যত গড়িয়েছে, সেই প্রত্যাশাও বেড়েছে। গত বছর দীর্ঘ বিরতির পর একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে হৃত্বিক, ফারহান ও অভয়কে একসঙ্গে দেখা গেলে ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, হয়তো এটিই দ্বিতীয় কিস্তির আগাম ইঙ্গিত। পরে অবশ্য জানা যায়, বিজ্ঞাপনটির সঙ্গে সিনেমাটির কোনো সম্পর্ক নেই।

এবার নির্মাতা নিজেই দ্বিতীয় কিস্তির গল্প নিয়ে কাজ করার কথা জানানোয় প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। তবে এখনো শুটিং শুরুর সময়, অভিনয়শিল্পীদের চূড়ান্ত তালিকা কিংবা মুক্তির সম্ভাব্য সময় জানানো হয়নি।

প্রথম সিনেমায় হৃত্বিক রোশন, ফারহান আখতার ও অভয় দেওলের পাশাপাশি ক্যাটরিনা কাইফ, কাল্কি কোয়েচলিন ও নাসিরুদ্দিন শাহসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছিলেন। দ্বিতীয় কিস্তিতে পুরোনো শিল্পীদের সবাই থাকবেন কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে তিন বন্ধুর সেই জনপ্রিয় গল্প নতুন সময় ও নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কীভাবে পর্দায় ফিরে আসে, তা নিয়েই এখন দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!