রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অনেক টিকটক করেছি, এবার আপনাকে বিয়ে করে জান্নাতের পথে যেতে চাই

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

অনেক টিকটক করেছি, এবার আপনাকে বিয়ে করে জান্নাতের পথে যেতে চাই

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামি বক্তা হাবিবুর রহমান মিছবাহকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কনটেন্ট নির্মাতা অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম নিজের যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় মিছবাহের ‘দশম স্ত্রী’ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে একটি পোস্ট দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে দেওয়া ওই পোস্টে মীম রসিকতার সুরে মিছবাহকে বিয়ে করে জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ বিষয়টিকে নিছক রসিকতা হিসেবে দেখেছেন, আবার কেউ এ ধরনের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

মীমের পোস্টকে কেন্দ্র করে মিছবাহের ব্যক্তিগত জীবন ও একাধিক বিয়ের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় আসে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। গত ২০ আগস্ট মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী হিসেবে পরিচিত মোসা. হুমায়রা জান্নাত ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের একটি ধারায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে হুমায়রা জান্নাতের সঙ্গে মিছবাহের বিয়ে হয়। তাঁদের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, বিয়ের সময় মিছবাহ তার আগের কয়েকটি বিয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন। পরে হুমায়রা জানতে পারেন, তার আগে মিছবাহ আরও কয়েকটি বিয়ে করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবীর দাবি অনুযায়ী, হুমায়রা জান্নাত মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী এবং পরবর্তী সময়ে আরও চারটি বিয়ে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। মামলার অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই বিষয়টি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এদিকে মীমের ‘দশম স্ত্রী’ হওয়ার মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিছবাহের কথিত একাধিক বিয়ে নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়েও অনেকে আলোচনা করছেন।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো বক্তব্য বা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও আদালতের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!