প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান পর্তুগালের ভিসার আবেদন করতে ভারতের দিল্লি সফরে যান। তার সঙ্গে একজন নারী ছিলেন, যিনি তার আত্মীয় বলে জানা গেছে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাহদী হাসান ও তার সঙ্গে থাকা নারী কনট প্লেসের একটি বেসরকারি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করেন। ভারতে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনও তারা ভারতীয় দূতাবাস থেকে নিয়েছিলেন।
দিল্লিতে অবস্থানকালে তারা পাহাড়গঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে ওঠেন। ভিসা কেন্দ্রে তাদের উপস্থিতির সময় কেউ ভিডিও ধারণ করলে মাহদীকে শনাক্ত করা হয়। এর পর থেকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে একাধিক ফোনকল আসতে শুরু করে, যা তাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
ভিসা কেন্দ্রে যাওয়ার পর তিনি পুরোনো দিল্লির জামা মসজিদ এলাকায় আশ্রয়ের চেষ্টা করলেও সেখানে থাকার অনুমতি পাননি। পরে দেশে ফেরার আগে তিনি দিল্লির আরও কয়েকটি স্থানে যান।
একাধিক সূত্র জানায়, মাহদী হাসান দিল্লি থেকে পর্তুগালের লিসবন যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সঙ্গে থাকা নারী তার আত্মীয়ই ছিলেন।
পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স–এর একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ পৌঁছান। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে তিনি ভারতে অবস্থানকালে হয়রানির অভিযোগ তোলেন।



