রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের

ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আটক দুজনের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি (কনস্যুলার অ্যাক্সেস) চেয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন।

কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের সঙ্গে কনস্যুলার সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছে।

সূত্রের আশা, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ সাক্ষাতের অনুমতি পাওয়া যেতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ গুরুতর অপরাধের পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তারা আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তারা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন—ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যান। এরপর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন এবং সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

এসটিএফ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় শরীফ ওসমান হাদির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তিনি মারা যান। তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!