প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি এবং কনটেন্ট নির্মাতা নুরুজ্জামান কাফিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি উঠেছে। এ অভিযোগ উঠেছে ভারতে অবস্থানরত এক রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত সহকারীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়িচালকের ছেলে মো. রুবেল আহমেদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
জানা যায়, গত বছরের ১৫ জানুয়ারি কলকাতার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত একটি সভায় রুবেল আহমেদ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পরে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বছিলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর একই বছরের ৩০ এপ্রিল তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পান। পরে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্তদের সহযোগী হিসেবে রুবেলকে চিহ্নিত করে মামলায় আসামি করা হয়।
পরদিন আদালতে হাজির করে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৩১ জানুয়ারি মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ছাত্রনেতা ওসমান হাদি এবং কনটেন্ট নির্মাতা কাফিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং এর জন্য অর্থের প্রস্তাবও ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি আগে থেকেই অবগত ছিলেন।
তবে এসব তথ্য নিয়ে তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



