প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০২:২২ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত অমোচনীয় কালির মান নিয়ে নিজের এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। ভোট দেওয়ার কয়েকদিন পরও আঙুলের কালি না ওঠায় হাস্যরসের ভঙ্গিতে তিনি বলেন, “কালি তো উঠছেই না। ভাবছি, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই কালি নিয়েই ভোট দিতে গেলে আবার ধরা পড়ে যাই কি না!”
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি জানান, নির্বাচনের পর তার এক সাবেক সহকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে একটি পোস্ট দেন। সেখানে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি কালি লাগিয়েছেন—কারণ সেই কালি নাকি উঠছেই না। এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, তিনি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেছেন, তার আঙুলের কালি এখনো রয়েছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কীভাবে এত টেকসই কালি তৈরি করেছে, সেটি নিয়েও তিনি মজা করে মন্তব্য করেন। তার দাবি, বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে ভালো মানের কালি ব্যবহার করা হয়েছে।
সিইসি বলেন, সাধারণত ভোটের পর কিছুটা ঘষা দিলেই কালি উঠে যায়, কিন্তু এবারের কালি অনেক বেশি স্থায়ী। তার মতে, কালির মান যেমন ভালো ছিল, তেমনি নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের পর তিনি অনেক ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কেউ ভোট দিতে না পারার অভিযোগ করেননি। বিশেষ করে নারী ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটারদের কাছ থেকেও তিনি জানতে চেয়েছেন কোনো বাধা ছিল কি না। তাদের সবাই জানিয়েছেন, তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরেছেন।
এ সময় ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির ব্যবহারের বিষয়েও নিজের আপত্তির কথা তুলে ধরেন সিইসি। তার মতে, সবাই বাংলাদেশি এবং সবার সমান অধিকার রয়েছে—এখানে বিভাজনের প্রয়োজন নেই।



