রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

দেশে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও পেশাদার গণমাধ্যম ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে নীতিমালা প্রণয়নের চলমান কার্যক্রমে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডও যথাযথভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দেশের গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থা, সাংবাদিকতার পেশাগত মানোন্নয়ন, সংবাদ প্রকাশে দায়িত্বশীলতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কাছে সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পেশাগত নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা গণতান্ত্রিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমন সমালোচনা সরকারের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে সহায়তা করে। তবে একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, জনস্বার্থে নেওয়া উদ্যোগ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের খবরও বস্তুনিষ্ঠভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে মানুষ বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত সম্পাদকরা স্বাধীন সাংবাদিকতা, সংবাদ প্রকাশে পেশাগত নিরাপত্তা, তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়নে তারা সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দেশের গণমাধ্যম খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং বস্তুনিষ্ঠতার সমন্বয়ে গণমাধ্যমের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন হলে সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের পাশাপাশি জনআস্থাও আরও বৃদ্ধি পাবে। এ লক্ষ্যেই সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!