রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এক মায়ের অনুরোধ পুরন করলেন ভারতের হাইকমিশনার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

এক মায়ের অনুরোধ পুরন করলেন ভারতের হাইকমিশনার

সংগৃহীত

একজন সাধারণ মায়ের আন্তরিক পরামর্শ থেকে যে একটি কার্যকর ও মানবিক উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব, তারই দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে। ভিসার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা শিশুদের কথা বিবেচনা করে সেখানে চালু করা হয়েছে নিরাপদ ও আধুনিক শিশু বিনোদন কেন্দ্র।

রোববার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওই মা ও তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নতুন শিশু বিনোদন কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ভিসা আবেদন করতে আসা অভিভাবকদের অপেক্ষার সময় শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ জায়গার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি এক মায়ের কাছ থেকেই জানতে পারেন তিনি।

সম্প্রতি ভিসা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় ওই মা হাইকমিশনারের কাছে অনুরোধ জানান, ভিসা আবেদনের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করার সময় শিশুদের বসা ও খেলাধুলার জন্য আলাদা একটি জায়গা রাখা প্রয়োজন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অল্প সময়ের মধ্যেই শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানটি প্রস্তুত করা হয়।

হাইকমিশনার বলেন, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভিসা আবেদনকারীদের অপেক্ষার সময়কে আরও স্বস্তিদায়ক ও ঝামেলামুক্ত করাই এর অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি আরও জানান, নারী, শিশু ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভিসা নিতে আসা ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে আরও কিছু সুযোগ-সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আবেদনকারীদের সেবা সহজ করা এবং ভিসা প্রক্রিয়াকে আরও জনবান্ধব করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নতুন এই উদ্যোগকে ছোট পরিসরের হলেও গুরুত্বপূর্ণ মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ভিসা আবেদনের জন্য অনেক পরিবারকে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশে সময় কাটানোর ব্যবস্থা থাকায় অভিভাবকদের ভোগান্তি কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ভারতে পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর পর আবেদনকারীদের আগ্রহও বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আবেদনকারীদের সেবার মান উন্নত করতে এই শিশু বিনোদন কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একজন মায়ের পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়িত এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিল, সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও মতামতকে গুরুত্ব দিলে ছোট একটি ভাবনাও বড় ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!