রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দূতাবাসে হুমকির খবরে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

দূতাবাসে হুমকির খবরে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

সংগৃহীত

ঢাকায় অবস্থিত চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকির বার্তা পাঠানোর ঘটনায় রাজধানীর কূটনৈতিক এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুলশান ও বারিধারাসহ দূতাবাসপাড়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে টহল ও নজরদারি। একই সঙ্গে হুমকির উৎস শনাক্তে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানোর তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এসব বার্তা ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হুমকির বার্তাগুলো প্রতারণামূলক বা ভুয়া হতে পারে। তবে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে হুমকির উৎস ও এর পেছনে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে একই ধরনের বার্তা পাওয়ার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দূতাবাসগুলোর পক্ষ থেকে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তর এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন ইউনিটকে জানানো হয়। এরপর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কূটনৈতিক এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। গুলশান ও বারিধারার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং দূতাবাসসংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিশেষ দলও।

তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোনো থানায় সাধারণ ডায়েরি বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আবু খায়ের। দূতাবাসগুলোর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না এলেও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, হুমকির ই-মেইলগুলো কারা পাঠিয়েছে এবং এর পেছনে প্রকৃত কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হুমকিগুলোকে সত্যিকারের নিরাপত্তাঝুঁকি নাকি আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পাঠানো ভুয়া বার্তা—তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!