রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সেপ্টেম্বরের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

সেপ্টেম্বরের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা

ফাইল ছবি

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমেছে। ফলে চলতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৮৫ টাকা দিতে হবে। এর আগে একই সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সেপ্টেম্বর মাসের জন্য এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য বহাল থাকবে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২৭ টাকা। সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৬৫২ টাকা এবং ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৮২ টাকা করা হয়েছে। ১৬ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হবে ২ হাজার ১১৪ টাকায়।

এ ছাড়া ১৮ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৩৭৮ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৬৪২ টাকা এবং ২২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের নতুন মূল্য ৩ হাজার ৩০৩ টাকা।

অন্যদিকে, ৩০ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৬৪ টাকা। ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৬০ টাকা এবং ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬২৪ টাকা করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় ৪৫ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হবে ৫ হাজার ৯৪৫ টাকায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দামের পরিবর্তন, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন নিয়মিতভাবে এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন মূল্য ঘোষণা করে থাকে।

নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ায় বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহারকারী মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত সিলিন্ডার ব্যবহার করেন এমন পরিবারগুলোর মাসিক রান্নার ব্যয়ে সামান্য হলেও চাপ কমবে। যদিও ১৩ টাকা কমানোর পরিমাণ খুব বেশি নয়, তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধির সময়ে যেকোনো মূল্যহ্রাস ভোক্তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে নির্ধারিত মূল্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবেশক, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে বাস্তব বিক্রয়মূল্যে পার্থক্য দেখা যায় কি না, সেটিও নজরে থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থে নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!