রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বামীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৪:৫৩ পিএম

স্বামীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রয়াত স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। দাফনকালে খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টা ২ মিনিটে জানাজা শুরু হয়ে শেষ হয় ৩টা ৫ মিনিটে। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেক।

জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে জানাজার প্রথম সারিতে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

এছাড়া ৩২টি দেশের রাষ্ট্রদূত জানাজায় অংশ নেন। খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে সকালেই ঢাকায় পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল। নিরাপত্তার স্বার্থে অনুমোদন ছাড়া কাউকে সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

জানাজাকে ঘিরে পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জাতীয় সংসদের মূল মাঠ দুটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং জনস্রোত একদিকে বিজয় সরণি ও আগারগাঁও, অন্যদিকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। গত ২৩ নভেম্বর তিনি ফুসফুসের সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নিউমোনিয়াসহ কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকার তার মৃত্যুতে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৩১ ডিসেম্বর সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!