প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ১১:২৮ এএম
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে ঘিরে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের পথে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার। একই সঙ্গে এতে শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে, যা কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই অধ্যাদেশটি উত্থাপন করা হয় এবং পরে একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে পাস না হলে অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় দ্রুত এটিকে আইনে পরিণত করার প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের আওতায় পূর্বে একটি বড় রাজনৈতিক দল ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। এতে তাদের সভা-সমাবেশ, প্রচার কার্যক্রম, দপ্তর পরিচালনা এবং আর্থিক লেনদেন কার্যত বন্ধ রয়েছে। তবে এতদিন এসব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কী শাস্তি হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বিধান ছিল না।
এখন প্রস্তাবিত সংশোধনে এই শূন্যতা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিষিদ্ধ কার্যক্রম চালালে বিদ্যমান আইনের ধারার আওতায় কঠোর শাস্তি প্রযোজ্য হতে পারে।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দলের নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে তারা আইনগত পদক্ষেপ নেবেন এবং রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবেন।
সব মিলিয়ে, এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।



