রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হেফাজতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই, স্পষ্ট করলেন প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম

হেফাজতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই, স্পষ্ট করলেন প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারের কিংবা দলের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, হেফাজতে ইসলামকে তারা একটি আকিদাভিত্তিক অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করেন এবং সংগঠনটি ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধ রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করে।

রোববার রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নাজিরহাটে অবস্থিত বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ধর্মীয় ও সামাজিক সৌজন্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কোনো সময়ই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়নি। তিনি আরও বলেন, তাদের দল নীতিগতভাবে ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তার ভাষ্য, যারা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে, তারা সাধারণ মানুষের পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দেয়।

তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম বরাবরই নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখেছে এবং ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত তুলে ধরেছে। এ কারণেই সংগঠনটিকে একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন হিসেবেই দেখা হয়।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব মোকাবিলা করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক প্লাবন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার পর নির্বাচনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক কার্যক্রম গুরুত্ব পাবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন সংস্থা মাঠপর্যায়ে কাজ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

সাক্ষাৎকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সৌজন্য সাক্ষাতে ধর্মীয়, সামাজিক এবং চলমান জাতীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!