রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযানে লাইসেন্সহীন ক্লিনিক সিলগালা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযানে লাইসেন্সহীন ক্লিনিক সিলগালা

সংগৃহীত

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। অভিযানে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বৈধ কাগজপত্রে অসংগতি পাওয়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই অভিযানে সরকারি কর্মঘণ্টায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগে দুই চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের পর হাসপাতালের আশপাশে অবস্থিত কয়েকটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অভিযানে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকগুলোর নিবন্ধন, অনুমোদন, পরিচালনাসংক্রান্ত নথি এবং সেবার মান যাচাই করা হয়।

পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, একটি ক্লিনিক প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদনের শর্ত পূরণ করতে পারেনি। পাশাপাশি সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। একই ধরনের অনিয়ম এবং কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় অপর একটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পুনরায় অনুমোদনের জন্য আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের সময় সরকারি দায়িত্ব পালনের নির্ধারিত সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী দেখার অভিযোগও সামনে আসে। এ ঘটনায় ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তাদের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

অভিযান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা আইন লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না। সরকারি দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম না মানার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!