রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শাপলা চত্বর মামলায় কারাগারে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৩০, ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম

শাপলা চত্বর মামলায় কারাগারে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী

সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর শুনানি শেষে বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল শুনানি গ্রহণ করেন। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ মামলার বিভিন্ন দিক আদালতের সামনে তুলে ধরে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানায়। আদালতে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো পৃথক আবেদন উপস্থাপন করা হয়নি।

এর আগে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

প্রসিকিউশনের দাবি, শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়েছে।

এই মামলায় এর আগে ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে একাধিক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং কয়েকজনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানির অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি পরদিন বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিপীড়নের ঘটনাও একই মামলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অভিযোগ মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় বিচারযোগ্য।

বর্তমানে এই মামলায় একাধিক আসামি কারাগারে রয়েছেন, অন্যদিকে কয়েকজন এখনো পলাতক। মামলার তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!