রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গুলশানের রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার ৬ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

গুলশানের রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার ৬ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় কথিত গোপন বৈঠকের অভিযোগে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের ছয় নেতাকর্মীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মহানগর হাকিম রাকিবুল হাসান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ, মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. নান্নু মিয়া, ব্যবসায়ী মো. আমিনুর রহমান এবং তার ভাগনে সজল আহমেদ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ কার্যক্রমে যুক্ত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা ও কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে গুলশান এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এসব পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, পলাতক সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং ঘটনার বিস্তারিত রহস্য উদ্‌ঘাটনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব অভিযোগের বিরোধিতা করে রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। তাদের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যবসায়ী এবং কেউ জনপ্রতিনিধি। আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা কোনো নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন না। মেহেদী মাসুদ চৌধুরী চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় এসেছিলেন বলেও আদালতে জানানো হয়। অন্যদের ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সেখানে অবস্থানের দাবি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে গুলশানের পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার একটি রেস্তোরাঁ থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। শুনানি শেষে আদালত তদন্ত কর্মকর্তার সাত দিনের আবেদনের পরিবর্তে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় মামলাটির তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!