রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধানমণ্ডি ৩২ ভাঙচুরের ঘটনায় ড. ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২০, ২০২৬, ০১:৩২ পিএম

ধানমণ্ডি ৩২ ভাঙচুরের ঘটনায় ড. ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই আবেদনে আরও ৩ থেকে ৫ হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করার কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামের এক নারী বাদী হয়ে এই আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। মামলার বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেওয়ার জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলমসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মী, আন্দোলনের সমন্বয়ক ও অন্য ব্যক্তিদেরও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি দল ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভবনে প্রবেশ করে। পরে বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে ভবনে থাকা ঐতিহাসিক দলিল, স্মৃতিচিহ্ন ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগও আনা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। এ জন্য মামলার আবেদনে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আবেদন জানানো হয়েছে।

তবে আদালত এখনো মামলাটি গ্রহণ বা আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত আদেশ দেননি। আদালতের আদেশের পরই এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!