প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের সনদ ও তথ্য যাচাই–বাছাই করছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত আট হাজার জনের সনদ ও তথ্য সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, যাচাইয়ের সময় প্রতি একশ জনের মধ্যে সাত থেকে আট জনের তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেওয়া তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল হওয়ায় এসব সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভুয়া সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা আগেই দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাচাই–বাছাই শেষ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে পাঠানো তথ্যে অসংগতি থাকায় পুনরায় তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এ কারণে যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুটা সময় লাগছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত হলেও বর্তমানে তা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে এবং জনবল স্বল্পতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর।
সহকর্মীদের রক্ষা করার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কাজের চাপই বিলম্বের মূল কারণ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যবস্থা চালু ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এতে পরিবর্তন আনা হলেও সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।



