রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংসদে গণভোটসহ ১৩ অধ্যাদেশ বাতিল, নতুন বিতর্কের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

সংসদে গণভোটসহ ১৩ অধ্যাদেশ বাতিল, নতুন বিতর্কের আশঙ্কা

ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনুমোদন না পাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এগুলো অনুমোদন বা বাতিল—কোনোটিই না হওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়।

গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে গণভোট, গুম প্রতিরোধ, পুলিশ কমিশন গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি অধ্যাদেশ ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব বিষয়ে কোনো বিল সংসদে তোলা হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ না থাকা অবস্থায় জারি করা অধ্যাদেশ প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন বা রহিত করতে হয়। অন্যথায় অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

এই অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ছিল রাজস্ব নীতি, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন, তথ্য অধিকার, আয়কর, কাস্টমস, বেসামরিক বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত সংশ্লিষ্ট বিধান। বিশেষ করে গণভোট অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারানোয় এ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে এ বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। কিছু রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই এসব অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তাদের মতে, সংসদ না থাকা অবস্থায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাংবিধানিক জটিলতা রয়েছে।

এদিকে একই দিনে সংসদে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন ও সংসদ সচিবালয়সংক্রান্ত সাতটি অধ্যাদেশ রহিত করার বিল পাস করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে সংসদে মোট ১১৩টি অধ্যাদেশ অনুমোদন পেয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৯১টি বিল পাস করা হয়েছে।

শেষ দিনে সংসদের দুই দফা বৈঠকে মোট ২৪টি বিল পাস হয়, যা আইন প্রণয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!