রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানী পরিষ্কারে ৪৮ ঘণ্টার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২৬, ১০:২৮ পিএম

রাজধানী পরিষ্কারে ৪৮ ঘণ্টার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে রাজধানীকে দ্রুত পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের স্থানসমূহ সচল রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারসহ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে বলেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল থেকে তিনি নগরীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ময়লা অপসারণের গতি এবং নগর পরিবেশ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে রাজধানীর গুলশান, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা, শাহবাগ, নিউ মার্কেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি, ফার্মগেট এবং মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা হয়। কোথাও যেন বর্জ্য জমে না থাকে এবং পানি নিষ্কাশনে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগরবাসী। তারা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজধানীর পরিবেশ আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!