রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘বাংলাদেশে নকল এখন ইতিহাস’: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০৪:১০ পিএম

‘বাংলাদেশে নকল এখন ইতিহাস’: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নকলের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং পরীক্ষাকে শতভাগ সুষ্ঠু রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী বছরের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পথে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন সমস্যার দিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, আগামীতে দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে মূল্যায়ন ব্যবস্থায় আরও সমতা নিশ্চিত করা যায়।

প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁসের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশনাও দেন তিনি।

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন মামলার কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা নিয়োগ কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব জটিলতা নিরসনের পথ তৈরি হয়েছে।

উচ্চশিক্ষা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেশনজট কমিয়ে শিক্ষার্থীদের সময়মতো সনদ অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশ এবং ভর্তি কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও অনিয়মমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!