রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিলছে নতুন আশার বার্তা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিলছে নতুন আশার বার্তা

ছবিঃ সংগৃহীত

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগের ফলে আগামী দিনে এ সংকট নিরসনে কার্যকর অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।

শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও সংকট সমাধানের বিষয়ে চীন ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আশ্বাস দিয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি এবং সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করতে তারা সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি পক্ষ রয়েছে। মিয়ানমারের পাশাপাশি রাখাইন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী—সব পক্ষের ভূমিকা এই সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাখাইন অঞ্চলের নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন। এর মাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের একটি ভিত্তি তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের বিস্তারিত বিষয়ে এখনই প্রকাশ্যে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শক্তিশালী জনসমর্থন নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। সেই আস্থা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সমন্বয়ে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার বিশ্বাস করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতেও বাংলাদেশ একাধিকবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি অর্জন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে এবারও একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকার আশাবাদী।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!