রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী আগস্ট মাসের শেষ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি টাওয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি কার্যক্রম নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগস্টের শেষ সপ্তাহেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে জনসাধারণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। এ কারণে পূর্বে নেওয়া বিভিন্ন বড় প্রকল্প পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও সেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে পরমাণু চুল্লিতে ইউরেনিয়াম স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বাকি কারিগরি পরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় রূপপুর প্রকল্প যুক্ত হলে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিল্প, কৃষি ও আবাসিক খাতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

সভায় তিনি নাগরিক সেবার আধুনিকায়ন নিয়েও কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি সমন্বিত পরিচয়ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। এই ব্যবস্থার আওতায় একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য একটি সমন্বিত পরিচয় নথিতে সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকরভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে দেশের জ্বালানি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!