প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
দেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। তুরস্কের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে বগুড়ায় ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে এই কারখানা নির্মাণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ড্রোন উৎপাদন নয়, উত্তরাঞ্চলের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামরিক অবকাঠামো উন্নয়নেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক পরিকল্পনা। এর অংশ হিসেবে বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিরক্ষা খাতে নতুন উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, তুরস্কের সঙ্গে যৌথ ব্যবস্থাপনায় বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে ড্রোন তৈরির কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের বিমান সুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বগুড়া বিমানবন্দর উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নতুন বিমানঘাঁটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন এই বিমানঘাঁটিতে ভবিষ্যতে বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া আধুনিক যুদ্ধবিমান রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় উত্তরাঞ্চলের গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক বিশ্বে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ড্রোন উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশে নতুন প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল তৈরি এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সরকারের এই উদ্যোগের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের বিমান অবকাঠামো উন্নয়ন দেশের যোগাযোগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।



