রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্পিকার ফিরলেই পদত্যাগপত্র দেবেন রাষ্ট্রপতি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১০:৩৯ এএম

স্পিকার ফিরলেই পদত্যাগপত্র দেবেন রাষ্ট্রপতি

সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে এমন তথ্য সামনে এসেছে যে, জাতীয় সংসদের স্পিকার দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতি তার স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা দিতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করা জাতীয় সংসদের স্পিকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। স্পিকারের প্রত্যাবর্তনের পরই সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যে পদত্যাগের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমনকি রাষ্ট্রপতির দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে তথ্য প্রচারিত হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর সামনে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহলে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা ও অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নাম আলোচনায় এলেও কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

এদিকে সরকারের দায়িত্বশীল কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা তাদের জানা নেই। তারা বিষয়টিকে সম্পূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি বাস্তবে ঘটলে দেশের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী পরবর্তী সব কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত। ফলে এখন সবার দৃষ্টি স্পিকারের দেশে ফেরা এবং পরবর্তী সাংবিধানিক পদক্ষেপের দিকে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!