প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর থাইল্যান্ডে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং থাইল্যান্ডের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজাবাত ইসারাভাকদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ সৃষ্টি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা। সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর জন্য কর্মসংস্থানের পথ উন্মুক্ত হতে পারে বলে বৈঠকে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোটের খাতভিত্তিক সংলাপ অংশীদার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করা হয়। জবাবে থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই বৈঠককে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকের শেষদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।



