প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভ্যাট প্রশাসনে বড় ধরনের পুনর্গঠন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন ভ্যাট কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর নতুন অধিক্ষেত্র অনুযায়ী হালনাগাদ করা হয়েছে।
সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রশাসনিক এই পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে পরোক্ষ করব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর স্থানান্তরিত হয়েছে, তাদের নম্বরের শেষ চারটি অঙ্ক পরিবর্তিত হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের নাম, নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য পরিচিতি আগের মতোই বহাল থাকবে।
রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, ব্যবসায়ীদের আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা বা বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সাময়িকভাবে পুরোনো ও নতুন—উভয় ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বরই কাস্টমস ব্যবস্থায় সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে আগে খোলা ঋণপত্র, পণ্য ছাড়ের নথি এবং অন্যান্য চলমান কার্যক্রম পুরোনো নম্বর ব্যবহার করেই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সম্পন্ন করা যাবে।
তবে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বরের অধীন সব কার্যক্রম শেষ করে নতুন নম্বর ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর পুরোনো নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর থেকে আমদানি, রপ্তানি এবং কাস্টমসসংক্রান্ত সব কার্যক্রম কেবল নতুন ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বরের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা যাবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতে, এই প্রশাসনিক সংস্কারের ফলে কর ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক হবে। একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ীদের জন্য দ্রুত ও সহজ প্রশাসনিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসায়ী, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও অংশীজনকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।



