প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর মধ্যে। সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো জটিল বিষয় সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনার একপর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি বিষয়ও উঠে আসে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের ব্যক্তি কিংবা পলাতক শেখ হাসিনা যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে। তাই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস অটুট রাখতে উভয় দেশের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
জবাবে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে ভারত সচেষ্ট থাকবে।
বৈঠকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশ্বাস ও সম্মানের ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হবে। দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা এবং আলোচনার মাধ্যমে টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার ওপরও উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে।



