প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। পরে হাইকমিশনের সভাকক্ষে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পাশাপাশি গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা, আত্মত্যাগ এবং জনগণের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা পর্বে সার্ক চেম্বার্স উইমেন এন্টারপ্রেনার কাউন্সিলের চেয়ারপারসন হিনা মনসাব খান, রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন চৌধুরীসহ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অবদান স্মরণ করে বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সামাজিক ন্যায়বিচার, বৈষম্য দূরীকরণ এবং জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদনের অন্যতম উপায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, ৫ আগস্ট স্বাধীনতাকামী ও গণতন্ত্রমনা মানুষের জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈষম্যমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে আরও সুসংহত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদ ছাত্র-জনতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি দেশের স্থায়ী শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।



