রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০২৬, ১০:১৫ এএম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া একশটি পরিবারের জন্য নির্মিত নতুন ঘর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে বাঁশখালীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত এসব ঘরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে উপকারভোগীদের কাছে ঘর হস্তান্তরের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘর দুর্যোগ-সহনীয় নকশায় নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমে আসে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাঁশখালী পৌরসভাসহ উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এবং নিজস্ব অর্থে নতুন ঘর নির্মাণে অক্ষম এমন একশটি পরিবারকে যাচাই-বাছাই করে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরে দুটি বসবাসের কক্ষের পাশাপাশি একটি সংযুক্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শক্তিশালী ভিত্তি, পাকা স্তম্ভ, কাঠ ও টিনের সমন্বয়ে এমনভাবে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘদিন নিরাপদে বসবাস করা সম্ভব হয়।

সরকারি এই পুনর্বাসন উদ্যোগে নির্বাচিত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, ভয়াবহ বন্যায় সবকিছু হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল। নতুন ঘর পাওয়ার মধ্য দিয়ে তারা আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন—এমন সংবাদ তাদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। মঞ্চ, প্যান্ডেল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানস্থল ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাতে বন্যাদুর্গত পরিবারগুলো দ্রুত নতুন আশ্রয়ে বসবাস শুরু করতে পারে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনরুদ্ধার সহজ হয়।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!