রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বন্যার্তদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

বন্যার্তদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ ও তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে বাঁশখালী সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণ করা নতুন ঘরগুলোর চাবি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের পর নতুন ঘর পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

চাবি হস্তান্তরের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বন্যার পানিতে বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘরবাড়ি ও সম্পদের ক্ষতির পাশাপাশি অনেক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পুনর্বাসন কার্যক্রম উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন।

সরকারি এ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো শুধু নতুন আশ্রয়ই নয়, ধীরে ধীরে তাদের স্বাভাবিক জীবন ও জীবিকা ফিরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!