রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থিক প্রযুক্তিতে অংশীদার হতে চায় লিথুয়ানিয়া

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম

তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থিক প্রযুক্তিতে অংশীদার হতে চায় লিথুয়ানিয়া

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার করতে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রোববার ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্য পরিস্থিতি, বিনিয়োগের সুযোগ এবং প্রযুক্তি খাতে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বর্তমানে বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হলেও সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান তথ্যপ্রযুক্তি খাত, দক্ষ তরুণ জনগোষ্ঠী এবং স্বাধীনভাবে কাজ করা প্রযুক্তিকর্মীদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় একটি দেশ। বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিজ দেশে নেওয়া এবং বিনিয়োগ প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, লিথুয়ানিয়া উন্নত লেজার প্রযুক্তি, সরকারি প্রযুক্তি এবং আর্থিক প্রযুক্তি সেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ে তার দেশ আগ্রহী।

বৈঠকে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ী পর্যায়ে সম্পর্ক জোরদার, যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিকল্পিতভাবে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রযুক্তি খাতে যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!