প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।
রাষ্ট্রপতি পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় শেষ হলেও কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে দুই প্রার্থীর মধ্যেই ভোটের লড়াই হবে।
নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিটি সংসদ সদস্যকে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি অংশ ও মূল অংশ। মুড়ি অংশে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ও ক্রমিক নম্বর থাকবে। নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর মূল ব্যালট পেপার গ্রহণ করে ভোট দিতে হবে।
মূল ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর নাম থাকবে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে প্রার্থীর নামের পাশে সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিতে হবে।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। গণনার সময় মোট কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ হয়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। দুই প্রার্থীর মধ্যে যিনি বেশি বৈধ ভোট পাবেন, নির্বাচনকর্তা তাকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই ভোটকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে এরই মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফল ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।



