রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ০২:০১ পিএম

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইরানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিকের পাশাপাশি বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও সাক্ষাতে মতবিনিময় হয়। বিশেষ করে অঞ্চলটিতে চলমান উত্তেজনা, এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আঞ্চলিক উত্তেজনা দ্রুত প্রশমনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, চলমান উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জনগণের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ এবং বিশ্বের বৃহত্তর কল্যাণের কথা বিবেচনা করে দ্রুত উত্তেজনা কমিয়ে আনা প্রয়োজন। পারস্পরিক সংলাপ, সমঝোতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে বিরাজমান পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশ বরাবরই আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত ও উত্তেজনা তৈরি হলে এর নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর পড়তে পারে। এ কারণে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইরানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক পর্যায়ের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিস্তৃত অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ রয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিরসন এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক যোগাযোগ ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!