প্রকাশিত: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৬:৩২ পিএম
অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ভল্টে জব্দ হওয়া সাড়ে ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লকার দুটিতে শুধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারই নয়, তার বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ পরিবারের আরও সদস্যদের স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, ভল্টে থাকা নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—স্বর্ণালংকারগুলো আলাদা আলাদাভাবে মার্কিং করা ছিল। অনুসন্ধানকারী দল এখন সেগুলো আলাদা করবে এবং কোন অংশটি কার ব্যক্তিগত সম্পদ তা নির্ধারণ করবে।
জব্দ হওয়া সাড়ে ৮৩২ ভরি সোনার মধ্যে শেখ হাসিনার অংশ কত—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “ইনভেন্টরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই তা নির্ধারণ করা হবে। তিনি যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন, তাও মিলিয়ে দেখা হবে।”
সোনাগুলো বৈধ নাকি অবৈধ—এ বিষয়ে দুদক মহাপরিচালক জানান, সম্পদ বিবরণী যাচাই করলেই জানা যাবে এসব স্বর্ণ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। যদি আয়ের উৎস বৈধ না হয় বা উৎস অস্পষ্ট থাকে, তবে তা অবৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী অনুসন্ধান দল তথ্য যাচাই করবে এবং আদালতের অনুমতির ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”



