প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
যারা জানাজা পড়তে অনীহা প্রকাশ করছেন, তারা মূলত জামায়াতের লোক—এমন মন্তব্য করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
শনিবার (২ মে) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার হাওর এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো ফসল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জানাজা বয়কট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জানাজা পড়ানোর বিষয়টি কি তারা নির্দিষ্ট করে ফেলেছে? নির্বাচনের আগে যেমন তারা বেহেশতের টিকিট দিয়ে দিয়েছিল, তেমনি কি তারা ঠিক করে ফেলেছে আজ বা কবে আমার মৃত্যু হবে? যিনি আমার জানাজা পড়াবেন না বলছেন, তাকে তো আমার আগেও আল্লাহ নিয়ে যেতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, মানুষের মৃত্যু ও জানাজার বিষয়টি একমাত্র সৃষ্টিকর্তার হাতে।
নিজের ধর্মীয় অবস্থান তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি বংশানুক্রমে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী এবং সুফিবাদী ধারার মানুষ। তার ভাষায়, “আমি আল্লাহর রাসূল (সা.) ও পবিত্র কুরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই।”
তিনি আরও বলেন, তার জীবনে বহু পীর, আউলিয়া ও দরবেশ আছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন, শেষ বিদায়ের সময় জানাজা পড়ানোর মানুষের অভাব হবে না।
রাজনীতি নিয়েও এ সময় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন এমপি ফজলুর রহমান। তিনি জানান, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন এবং নির্বাচনে অংশ নেবেন না। অবসরের পর তিনি আধ্যাত্মিক পথে জীবন কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এদিন তিনি হাওর অঞ্চলের বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতিও পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের পাশে থাকার পাশাপাশি সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।



